৪র্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় দেশেজুড়ে ৩০০টি ‘স্কুল অব ফিউচার’ তৈরি করা হবে
দেশজুড়ে ফিনল্যান্ডের স্কুল ও কলেজ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করে ৩০০টি ‘স্কুল অব ফিউচার’ মডেল এড্যুকেশনাল ইনস্টিটিউশন গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, এই ইনস্টিটিউশনের মাধ্যমে ফিনল্যান্ড যেভাবে সৃজনশীলতা, উদ্ধাবন এবং ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি নির্ভর প্রকল্প নিয়ে কাজ করে সেভাবেই বাংলাদেশের ১ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় ডিআরএমসি ইন্টারন্যাশনাল টেক কার্নিভাল’ অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
আইএসও টেক গ্রুপ আয়োজিত কার্নিভালে তিনি আরো বলেন, আমাদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন নিয়ে ফ্রন্টিয়ার টেকনলোজি নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে আমরা বিশেষায়িত ল্যাব করছি। সেন্টার অব এক্সিলেন্স অন ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন স্থাপন করছি।
সেই লক্ষ্যে আগামীতে রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে সেন্টার অব এক্সিলেন্স অন ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন স্থাপন করা হবে বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি আগামী বছর থেকে আইসিটি বিভাগ স্থায়ীভাবে ডিআরএমসি’র সঙ্গী হবে বলেও ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।
পলক বলেন, উদ্ভাবকরা সমস্যার কাছে আত্মসমর্পন করে না। সমস্যাকে সম্ভাবনায় রূপান্তর করে। শিক্ষা পদ্ধতিকে না দুষে লার্নিং সিস্টেম নিয়ে নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। জানার আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে। একইসঙ্গে সুযোগ তৈরি করতে হবে। সেজন্যই সরকার ৮ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব, স্মার্ট ক্লাসরুম তৈরি করেছে। আগামী ৫ বছরে ১০ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
উদ্ভাবনী প্রজন্ম গড়তে ৫টি ধাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার মতে স্বপ্ন দেখা, কল্পনা, ধারণা, উদ্ভাবন ও বাণিজ্যিকীকরণ ধাপ অতিক্রম করতে হবে।